সন্ধ্যা ৭টা, ৩১ আগস্ট, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা

দেশ নাটকের প্রযোজনায় মঞ্চে ‘অরক্ষিতা’


ঢাকার সেগুন বাগিচায় অবস্থিত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে নাটক ‘অরক্ষিত’। দেশ নাটক প্রযোজিত নাটকটি মাহবুব লীলেন-এর রচনা ও নির্দেশনায় মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। বিশ্বের সবচাইতে প্রাচীন মহাকাব্যগুলোর একটি ‘মহাভারত’ যার আদি পর্বের ছোট্ট একটি ঘটনাকে অবলম্বন করে রচিত হয়েছে নাটক ‘অরক্ষিতা’। মাহবুব লীলেন তাঁর নাটকে দেখাতে চেয়েছেন যে যুগে যুগে বহিরাগতরা স্থানীয়দের আতিথেয়তা এবং সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে একই কাজ করেছে। উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, ভারতবর্ষ, প্যালেস্টাইনসহ আরও অনেক জায়গায় আমরা ইতিহাসের পূনরাবৃত্তি হতে দেখেছি।


তখন দেবতাদের সাথে অসুরদের যুদ্ধ চলছে। ভৃগুপুত্র শুক্রাচার্যের ছিল সঞ্জীবনী ক্ষমতা যার দ্বারা তিনি মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। যুদ্ধে নিহত অসুরদের তিনি তাঁর ক্ষমতা দিয়ে বাঁচিয়ে তুলতেন। এদিকে দেবগুরু বৃহস্পতির এই বিদ্যা জানা ছিল না। ফলে দেবপক্ষের সৈন্যদের তিনি বাঁচাতে পারেন না। শেষ পর্যন্ত নিজের ছেলে কচকে তিনি পাঠালেন শুক্রাচার্যের কাছে যাতে সে এই বিদ্যা শিখে আসতে পারে। কচ নিজ গুনে শুক্রাচার্য এবং তার কন্যা দেবযানীর মন জয় করে। কচ শুক্রাচার্যের শীষ্যত্ব এবং আতিথেয়তা লাভ করে। বহুদিনের সাধনার পর কচের শিক্ষা সম্পন্ন হয়। সে দেবযানীর প্রেমকে উপেক্ষা করে মৃতসঞ্জীবনী বিদ্যা নিয়ে পিতা বৃহস্পতির কাছে ফিরে আসে। তারপর অসুরের কাছে শেখা বিদ্যাকে কাজে লাগিয়ে দেবতারা অসুরদের বিরুদ্ধে সাফল্য লাভ করে। ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, এই তথাকথিত দেবতা ও আর্যরা ছিল ভারতবর্ষে বহিরাগত। যাদেরকে অসুর ও দৈত্য আখ্যা দেওয়া হয়েছে তারাই এখানকার আদি বাসিন্দা।

সাতদিন/এমজেড

৩১ আগস্ট ২০১৫

নাটক

 >  Last ›