সন্ধ্যা ৭টা, ৯ আগস্ট, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা

পাইচো চোরের কিচ্ছা’র ৪০তম মঞ্চায়ন

পরিবেশনায়: ঢাকা পদাতিক


ঢাকার সেগুন বাগিচায় অবস্থিত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে ঢাকা পদাতিক-এর নাটক ‘পাইচো চোরের কিচ্ছা’। নাটকটির নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী চপল। এই লোকজ নাটকটি খুলনা অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে গল্পের ভঙ্গিতে মঞ্চে অভিনয়ের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন কুশীলবগণ। যার মাধ্যমে উঠে এসেছে রুপকথার গল্পের মত এক পাইচো চোরের নানা কর্মকান্ড। জীবনের এক গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে এ কাহিনীতে।

পাইচো জগত বিখ্যাত চোর। এই চোরকে ঘিরে নাটকটি এগুতে থাকে। এক পর্যায়ে পাইচো কোটের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, মহেশ্বরী রাজকন্যাকে সে চুরি করে রাজা কোটের কাছে এনে দেবে। পাইচোর বাবাও ছিলেন জগত বিখ্যাত চোর। চুরি বিদ্যা শেখার জন্য তিনি রেখে গেছেন অনেক বই। পাইচো বাবার রেখে যাওয়া বই পড়ে কৌশল আবিষ্কার করে। এরপর সে রাজকন্যাকে চুরি করার জন্য রওনা হয়।

পাইচো মহেশ্বরী রাজাকে চিঠি লিখে জানিয়েছিল কবে সে রাজকন্যাকে চুরি করবে। রাজ্য জুড়ে অস্থিরতা শুরু হয়। কিন্তু রাজা রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেও রাজকন্যাকে পাইচো চোরের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন না।

নাটকটি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নির্দেশক বৈচিত্র এনেছেন নানাভাবে। বিশেষ করে নাটকটিতে গান ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি এর মূল বক্তব্যে প্রবেশ করেছেন। এ জগতে ধন সম্পদ রক্ষার জন্য আমাদের কতইনা আয়োজন আর কৌশল আর আমার ভেতরের আমিকে রক্ষা করার জন্য কি আয়োজন আর কৌশল নিয়েছি আমরা।

নাটকটি সম্পর্কে কাজী চপল বলেন, খুলনার আঞ্চলিক ভাষার নাটকটিতে উঠে এসেছে অসংখ্য লোক উপাদান। একটি লোক নাটক করার ভাবনা থেকেই লোক কাহিনী ‘পাইচো চোরের কিচ্ছা’ নির্দেশনা দিয়েছি। এতে আমরা আমাদের শিকড় অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা করেছি। তিনি জানিয়েছেন, বিজয় সরকার, আলেক মাতুব্বর, মোসলেম বয়াতিসহ খুলনা এলাকার অসংখ্য লোক কবি ভাটিয়ালী সুরে যে ভাব, রস আমাদের মনে গ্রথিত করেছেন তা এই নাটকের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করেছে।

পাইচো চোরের চরিত্রে অভিনয় করছেন সালাউদ্দিন রাহাত। গল্পে-গানে কাহিনীকে সুবিস্তৃত করেছেন কাজী শিলা। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয়ে আছেন রিয়াজ, মাসুদ আহমেদ, কিরণ, মুমু, লিজা, সাগর, সম্রাট, কবির, আকাশ, সুমন, মৌসুমী, আকাশ, শাওন, লিটন, নিপা, রবীন প্রমূখ।

সাতদিন/এমজেড

৯ আগস্ট ২০১৫

প্রদর্শনী

 >  Last ›