সন্ধ্যা ৭টা, ৮ সেপ্টেম্বর, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা

গঙ্গা-যমুনা নাট্যোৎসবের ৫ম দিন মঞ্চে

আরণ্যক নাট্যদল-এর ‘ভঙ্গবঙ্গ’

ঢাকায় চলমান গঙ্গা-যমুনা নাট্যোৎসবের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে আরণ্যক নাট্যদলের নাটক ‘ভঙ্গভঙ্গ’। প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ রচিত নাটকটির নির্দেশনায় আছেন ফয়েজ জহির। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, তমালিকা কর্মকার, আরিফ হুসাইন, আমানুল হক, রুবলী চৌধুরী, সাজ্জাদ সাজু, ফিরোজ মামুন, কামরুল হাসান, সাইদ সুমন, হাসিম মাসুদ, মনির জামান, কাজী আল আমিন, পার্থ চ্যাটার্জি, লায়লা বিলকিস প্রমুখ।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের ফলে বাংলাভাষাভাসীদের ভূমি দুই ভাগে গাগ হয়ে যায়। রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন এ তো বাংলারই মাটি। আর এই মাটিতে বসবাসরত মানুষগুলও জড়িয়ে যায় একে অপরের সাথে।
‘ভঙ্গবঙ্গ’ নাটকটির শুরু হয় দুটি দেশের সীমান্ত অঞ্চল থেকে। বেনাপোল ও হরিদাসপুর। এপারের চোরাকারবারি রাজার সঙ্গে ওপারের যৌনকর্মী মালিনীর প্রেম-বিরহ, গলাধাক্কা খেয়ে মাতাল বিশুর জীবনবোধ, কাস্টমস-ইমিগ্রেশনের বাণিজ্য-সংকটসহ বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা। এত সব ঘটনার মধ্যে হঠাৎ উদ্ভট একজন মানুষের আবির্ভাব নিত্যদিনের আবহ ঘোলাটে করে তুলে। এই চরিত্রটির আগমনে নাটকে নতুন আবহের সৃষ্টি হয়।

নাটকের একপর্যায়ে দেখা যায়, ‘উদ্ভট’ চরিত্রটি শিলাইদহ পতিসরে যাবে, পদ্মায় বোট নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। সে বুঝতে চায় না ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগ, বাংলা ভাষাভাষীদের ভূমির বিভাজন। যেখানে পাখি উড়ে যায়, বাতাস ও নদীর জল অবলীলায় প্রবহমান, সেখানে যাওয়া মানুষের অগম্য কেন হবে? এমনই এক প্রশ্ন জাগিয়ে তোলে এই উদ্ভট মানুষটি।

সাতদিন/এমজেড

৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

নাটক

 >  Last ›