বিশেষ নাটক: আহত বর্ণমালা

২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা ১০মি একুশে টেলিভিশন
রচনা আব্দুল হাই
পংকজ ঘোষে পরিচালনা

অভিনয় ফারহানা মিলি, রমিজ রাজু, রিয়াজ, কাজী মুন টুটুল

অনীক, সুবর্ণা, শাহীন, মিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে শাহীনের নেতৃত্বে ওরা শহীদ দিবস উদযাপন করে। একুশের আগের রাতে সারারাত জেগে অনীক শহীদ মিনারে, রাজপথে আল্পনা আঁকে। ভোরে শহীদ মিনারে এসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। বিকেলে আয়োজন করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা। কিন্তু ব্যতিক্রম হলো এবার। যথারীতি একুশের আগের রাতের আল্পনা আঁকলেও ভোরে শহীদ মিনারে পাওয়া গেলো না অনীককে। সকালে কার্যক্রম শেষ করে শাহীন, মিলি, সুবর্ণা, অনীককে খুঁজতে থাকে। খুঁজতে খুঁজতে সুবর্ণা দেখে অনীক ভার্সিটির মাঠের এক কোণে অস্থিরভাবে পায়চারি করছে। কাছে যায় সুবর্ণা। তাকে জিজ্ঞাসা করে কেন সে আজ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেনি? জবাবে অনীক সুবর্ণার হাতে একটা ডায়েরি তুলে দিয়ে বলে এটা পড়ে দেখ তা হলে তুমি বুঝতে পারবে কেন আমি যাইনি।

ডায়েরিটা পড়েতে গিয়ে সুবর্ণা জানতে পারে ১৯৫১ এর ভাষা আন্দোলনে শুধু সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতই শহীদ হননি, শহীদ হয়েছিলেন আরও নাম না জানা অনেকে। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের দীর্ঘ ৬২ বছরে আমরা তাদের নামগুলো সংগ্রহ করতে পারিনি। পারিনি জানতে জীবিত ভাষা সৈনিকদের সকলের ভূমিকার কথা। সেই সাতই ফাল্গুনের রাতে ভাষা সংগ্রামীদের প্রস্তুতি, তাদের কার্যক্রম। অনীক ও সুবর্ণা ছুটে যায় জীবিত ভাষা সৈনিক টুনীর ও মরিয়মের কাছে। শুনতে চায় তাদের মুখ থেকে সেই আগুনঝরা দিনের কথা। জানতে পারে শহীদ তসলিম মিয়াজীর কথা, জানতে পারে পুলিশ অফিসার তোয়াবের ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকার কথা। আরও জানতে পারে জামিল ও মিনুর প্রেমের কথা।

আহত বর্ণমালা’ নাটকে ফারহানা মিলি ও রামিজ রাজু দুইজনেই ২৫ বছরের তরুণ ও ৮২ বছরের বয়স্ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন।


নাটক

 >  Last ›