একাত্তরের ক্ষুদিরাম4

দুপুর ১২টা, ১৪ এপ্রিল, শিল্পকলা একডেমি, ঢাকা

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে
‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’-এর তিনটি প্রদর্শনী

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল ঢাকাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধের কিশোর চলচ্চিত্র ‘একাওরের ক্ষুদিরাম’-র তিনটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। দুপর ১২টায়, বিকাল ৫টা ৩০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে প্রদর্শনী তিনটি অনুষ্ঠিত হবে। ছবিটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন নাট্যকার মান্না হীরার। ৭ডিসেম্বর সেন্সরের ছারপত্র পায় ছবিটি।

নাট্য ব্যক্তিত্ব মান্নান হীরার রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’। সরকারি অনুদানে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করছেন মামুনুর রশীদ, ফজলুর রহমান বাবু, ড. ইনামুল হক, মোমেনা চৌধুরী, মুনসি মজনু, চঞ্চল, চিত্র ছবি, ফিরোজ আল মামুন, সাজু প্রমুখ। এছারা শিশু শিল্পীদের মধ্যে আছে, স্বচ্ছ, রুদ্র, শাকিল, অন্তরা, মধুমনি, মুন্না, জুয়েল মিজি প্রমুখ। মান্নান হীরা’র টিমে আরও ছিলেন চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান, শিল্প নির্দেশক উত্তম গুহ, সহযোগী নির্দেশক এম এ আউয়াল, প্রধান সহকারী পরিচালক মো. শফিউল্লাহ সোহাগ এবং সংগীতে সূজয় শ্যাম।

সিনেমায় উঠে আসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ঘটনা। বর্তমান বাংলাদেশ, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের একটি মফস্বল শহরে ছিল সোনামুখী উচ্চ বিদ্যালয় নামের এক বিদ্যালয়। সোনামুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের শিক্ষক খোকন ব্যানার্জি’র পরিচালনায় প্রতিবছরের মত এবারও একটি নাটক মঞ্চায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। নাটকের নাম ‘শহীদ ক্ষুদিরাম’।

এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক খোকন স্যারকে উর্দু ভাষায় পাকিস্তানের জাতির পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে লেখা একটি নাটক মঞ্চায়ন করতে বললে খোকন এর তীব্র প্রতিবাদ করে এবং নাটক ‘ক্ষুদিরাম’ মঞ্চায়নের প্রস্তুতি নিতে থাকে।

পরবর্তীতে দেখা যায়, খোকন ব্যানার্জি পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন এবং তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। খোকনের ছাত্র-ছাত্রীরা হাতে তৈরি বোমা মেরে মেজরের গরি উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে, ইংরেজ মেজিস্ট্রটকে মারতে যেমনটা করেছিল ক্ষুদিরাম। খোকনের ছাত্র-ছাত্রীরা অভিযানে সফল হয় এবং পুরো এলাকা জুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।

সাতদিন/এমজেড

১৪ এপ্রিল ২০১৫

প্রদর্শনী

 >  Last ›