রাত ৮টা, ১৬ এপ্রিল, গাজিটিভি

একক নাটক: সেই চোখ

পরিচালনায়: মাতিয়া বানু শুকুর
অভিনয়ে: তৌকির আহমেদ, ফারাহ রুমা

রুম্পা আর রবিনের খুব ভাব। রবিন বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছে আর রুম্পা থার্ড ইয়ারে। তারা সব সময়ই এক সাথে থাকে। একজনকে ছাড়া অন্য জনকে দেখা যায় না। রবিনের মা সহ সবাই জানে তাদের প্রেমের কথা। কিন্তু শুধু রুম্পা জানে রবিনের কোথাও কোন ঝামেলা আছে। সে কিছুতেই তাদের প্রেমের সম্পর্ক স্বীকার করে না। তাই রুম্পার ধারনা রবিন অন্য কাউকে ভালোবাসে। এক পহেলা বৈশাখে রবিনের মা রুম্পাকে একটি লাল শাড়ি উপহার দেয়। রুম্পার ইচ্ছা এই শাড়ি পরে সে সারাদিন রবিনের সাথে ঘুরবে। কিন্তু রবিন জানিয়ে দেয় যে, সে পারবে না। কারন সে ময়মনসিংহ যাবে।এই ময়মনসিংহকে ঘিরে রবিনের একটা গল্প আছে যা সিনেমাকেও হার মানায়। রবিন যখন কলেজে পড়ে । তখন কলেজে যাওয়ার পথে রোজই একটি মেয়েকে দেখতো। মেয়েটির চোখ দুটি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায়নি রবিন। মনে মনে ভালোবাসে মেয়েটিকে। প্রতিদিনই একটি করে চিঠি লিখতো মেয়েটির কাছে। তবে মাত্র একটি চিঠি পৌছাতে পেরেছিলো মেয়েটির কাছে। কিন্তু কোন উত্তর সে পায়নি।

একদিন ঐ মেয়ের বান্ধবী রবিন কে জানায় যে, সে একটি চিঠির উত্তর দিয়েছে কিন্তু ঐটা পরতে হবে সাত বছর পরের পহেলা বৈশাখে। একটি গাছের নিচে চিঠিটি লুকানো আছে। আজ সেই পহেলা বৈশাখ। তাই রবিন ময়মনসিংহ যাবে।রবিন সেখানে গিয়ে দেখে সেখানে কোন গাছ নেই, বিশাল বাড়ি উঠেছে। বাড়ির মালিকের সাথে যোগাযোগ করলে বলে একটা বাক্সর মতো পেয়েছে কিন্তু ফেলে দিয়েছে। ঠিক সেই মুহুর্তে বাড়ির মালিকের স্ত্রী বাক্সটা দেয় রবিনের কাছে। রবিন খুলে দেখে তাতে লেখা আছে এতদিন পরও যদি আমাকে পেতে চাও তাহলে নদীর পাড়ে চলে এসো। আমি লাল শাড়ি পরে অপেক্ষা করবো। রবিন নদীর পাড়ে ছুটে যায় দেখে রুম্পা লাল শাড়ি পড়ে দাড়িয়ে। রবিন রুম্পার চোখে তাকিয়ে চমকে ওঠে এতো সেই চোখ।

মাতিয়া বানু শুকুরের রচনা ও পরিচালনায় নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- তৌকির আহমেদ, ফারাহ রুমা প্রমুখ।

সাতদিন/এমজেড

১৬ এপ্রিল ২০১৫

নাটক

 >  Last ›