মৃত্তিকা মায়া ০

বিকাল ৩টা, ২০ এপ্রিল, গণগ্রন্থাগার মিলনায়তন, ঢাকা

চলচ্চিত্র ‘মৃত্তিকা মায়া’র প্রদর্শনী

পরিচালনা: গাজী রাকায়েত
অভিনয়: শর্মীমালা, তিতাস জিয়া, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মামুনুর রশীদ


গাজী রাকায়েত পরিচালিত ‘মৃত্তিকা মায়া’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে। গাজী রাকায়েত ‘মৃত্তিকা মায়া’ নামে তাঁর নিজের লেখা আখ্যান হতে সিনেমাটির চিত্রনাট্য প্রস্তুত করেন। ২০১২ সালে সরকারি অনুদানে সিনেমাটির দটশ্যধারণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু অনুদান থেকে পাওয়া অর্থ সিনেমা তৈরির জন্য যথেষ্ট না হওয়ায় বার বার কাজে বাধা আসে। অবশেষে অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে চলচ্চিত্রটি আলোর মুখ দেখে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন শর্মীমালা, তিতাস জিয়া, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মামুনুর রশীদ, অপর্ণা, লুৎফর রহমান জর্জ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

সিনেমাটিতে দেখা এক সময়কার কুমোর শ্রমিক যায় ক্ষীরমোহন (আসল নাম নিমাই চন্দ পাল) এখন একটি কুমোর ভিটে ও বটতলার মালিক। তার দুই ছেলে ঢাকায় থাকে এবং কুমোরের পেশার প্রতি তাদের কোন আগ্রহ নেই। বরং তারা কুমোর ভিটে বিক্রি করে দিতে চায়। ভিটেতে বৃদ্ধ ক্ষীরনোহনের সাথে থাকে তার নাতনী পদ্ম। এ ছাড়া সেখানে থাকে ক্ষীরমোহনের কাছে আশ্রীত বৈশাখ। বৈশাখ হিন্দু না মুসলমান সে ব্যাপারে কারও কোন ধারণা নেই। সে কুমোর ভিটের দেখা শোনা করে, আর মূর্তি বানায়। সে আস্তে আস্তে তার বানানো মূর্তির শিল্প মান সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠে। বৈশাখ পদ্মকে পছন্দ করে কিন্তু সে কথা যখন প্রকাশ করে তখন পদ্মের বিয়ে ঠিক হবে যায়। পদ্ম শ্বশুর বাড়িতে চলে যায়। এক সময় কুমোর ভিটের জায়গা নিয়ে নানান বিবাদ দেখা দেয়। সেখানে জায়গা দখল করে অনেকে বসতি স্থাপন করতে চায়। কুমোর ভিটে এবং বটতলাকে রক্ষা করতে বৈশাখ প্রাণপণ চেষ্টা চালায়। এমন সময় দেখা যায় পদ্মও কুমোর ভিটেতে ফিরে আসে। এভাবেই এগিয়ে যায় সিনেমার গল্প।

সাতদিন/এমজেড

২০ এপ্রিল ২০১৫

প্রদর্শনী

 >  Last ›