রাত ৯টা ১০ মি, ২৬ এপ্রিল, মাছরাঙা টেলিভিশন

‘টি উইথ টুটলি’র অতিথি

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী

উপস্থাপনা: টুটলি রহমান
প্রযোজনা: রকিবুল আলম

মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে সেলিব্রেটি শো ‘টি উইথ টুটলি’। এতে অতিথি হিসেবে থাকছেন খ্যাতিমান ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। ভাস্কর ও শিল্পী ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দরকার হয় না। তিনি নিজ গুণে আজ শিল্প জগতে পরিচিত মুখ। তাঁর আরেকটি পরিচয় হল তিনি মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনা। অনুষ্ঠানে নিজের ব্যক্তিজীবন, পেশাজীবন, লাইফস্টাইল, পথচলার নানা অভিজ্ঞতা, মজার ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবেন তিনি।

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী’র জন্ম ১৯৪৭ সালে, খুলনায়। মা-বাবার ১১ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেনে সবার বড়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগ আগে তাঁর প্রথম স্বামীর সাথে ছাড়াছড়ি হয়ে যায়। তিনি যখন তাঁর সন্তানদের নিয়ে টিকে থাকার সংগ্রাম করছিলেন ঠিক তকনই ঘটে যায় তাঁর জীবনের ভয়াভহতম ঘটনা। পাক বাহিনীর হাতে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। যুদ্ধ শেষে বিজয় আসে ঠিকই কিন্তু বীরাঙ্গনাদের জীবনে স্বাধীন দেশে শান্তি আসে না। নানা অপমান সহ্য করে কঠোর সংগ্রাম করতে থাকেন প্রিয়ভাষিণী। ১৯৭২ সালে ২য় বার বিয়ে করেন। সন্তানদের মানুষ করেন এই সংগ্রামী নারী।

১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। মাঝে কিছুদিন স্কুলে শিক্ষকতাও করেছেন। তিনি ইউএনডিপি, ইউএনআইসিইএফ, এফএও, কানাডিয়ান দূতাবাস প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। শেষ বয়সে এসে নানা শিল্পকর্ম সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করেন এবং তা অবিরামভাবে অব্যাহত রাখেন। মূলত সহজলভ্য বস্তু দিয়ে ঘর সাজানোর উপকরণ ও অলংকার তৈরির মধ্য দিয়েই তাঁর শিল্পচর্চার শুরু। ঝরা পাতা, মরা ডাল, গাছের গুড়ি দিয়ে তিনি গৃহসজ্জার নানা শিল্পকর্ম ও ভাস্কর্য তৈরি করে দেখিয়েছেন।

‘টি উইথ টুটলি’ অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন রকিবুল আলম। টুটলি রহমানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হয় প্রতি রবিবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে।

সাতদিন/এমজেড

২৬ এপ্রিল ২০১৫

আড্ডা ও আলোচনা

 >  Last ›