২২ থেকে ২৪ মে, ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন, ঢাকা

জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলন ও প্রতিযোগীতা


১৪২২ বঙ্গাব্দের ৮, ৯ ও ১০ জ্যৈষ্ঠ,২০১৫ সালের ২২, ২৩ ও ২৪ মে, শুক্র, শনি ও রবিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ্-এর চৌত্রিশতম বার্ষিক অধিবেশন, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন ও প্রতিযোগিতা। এবারের অধিবেশনের আহ্বান ‘এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে’। এবারের তিন দিনের আয়োজন বসছে ঢাকার ধানমণ্ডির শংকরে অবস্থিত ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে। শুক্রবার সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিকর্মী অধ্যাপক ড. অনুপম সেন। সম্মেলনের প্রধান অতিথি কথাসাহিত্যিক ও কবি সৈয়দ শামসুল হক। গুণী সম্মাননা জানানো ও রবীন্দ্রপদকে ভূষিত করা হবে প্রবীন শিল্পী সুধীন দাশ এবং প্রকৃতিবিদ দ্বিজেন শর্মাকে। তিন দিনের চৌত্রিশতম বার্ষিক অধিবেশনে সহায়তা দিচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং সানিডেইল স্কুল।


এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন দেশের নানা অঞ্চল থেকে সমাগত ছয় শতাধিক শিল্পী,সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক। ২২ মে উদ্বোধন পর্বের পর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে আছে সঙ্গীতানুষ্ঠান। তিন দিনেরই সান্ধ্য অধিবেশন সাজানো হয়েছে গুণীজনের সুবচন রবিরশ্মি,আবৃত্তি,পাঠ,নৃত্য ও গান দিয়ে।

চৌত্রিশতম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন বিকাল চারটায় আছে সেমিনার। এবারের বিষয় আবুল মোমেনের লেখা প্রবন্ধ রাষ্ট্র ও ধর্ম: রবীন্দ্র ভাবনা ও বর্তমান বাস্তবতা। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি সন্‌জীদা খাতুন। আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন ডা. সারওয়ার আলী ও মফিদুল হক। দৈনিক আয়োজন রবিরশ্মিতে কথা বলবেন বিশিষ্টজনেরা। কিশোর ও সাধারণ সঙ্গীত প্রতিযোগিতার বাছাই পর্ব হবে উদ্বোধনের আগের দিন, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে। শুক্রবার দুপুরে কিশোর বিভাগ এবং শনিবার সকালে সাধারণ বিভাগের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা।

উভয় বিভগের পুরস্কার এবং গুণী সম্মাননা ও রবীন্দ্রপদক প্রদান রবিবার বিকেলের সমাপনী অধিবেশনে। বার্ষিক অধিবেশন উপলক্ষে যথারীতি প্রকাশিত হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির নানা দিক নিয়ে বিশিষ্টজনদের লেখা প্রবন্ধের সংকলন সঙ্গীত সংস্কৃতি।

বাঙালির আপন সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে পরিষদের কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে, জাহিদুর রহিম স্মৃতি পরিষদ্ নামে। দেশব্যাপী বৃহত্তর পরিসরে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার লক্ষ্যে পরবর্তী কালে বাঙালির চিরকালের সঙ্গী রবীন্দ্রনাথের নাম যুক্ত করে সংগঠনের নাম করা হয় জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ্। মূল সংগঠনের নাম বদলে গেলেও প্রয়াত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী জাহিদুর রহিমের দেশ-কাজে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকার সম্মেলনে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জাহিদুর রহিম স্মৃতি-পুরস্কার’ প্রতিযোগিতা। প্রতিষ্ঠার পর পরিষদ্ প্রথম দিকের বার্ষিক অধিবেশনগুলো রাজধানী ঢাকাতেই আয়োজন করেছে। ১৯৮৪ সাল থেকে এক বছর ঢাকায় এবং তার পরের বছর রাজধানীর বাইরে এই ধারায় আয়োজিত হচ্ছে বার্ষিক অধিবেশন বা সম্মেলন। কেবল ঢাকার অধিবেশনে হয়ে থাকে ‘জাহিদুর রহিম স্মৃতি-পুরস্কার’ বা জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রতিযোগিতা।

সাতদিন/এমজেড

২২ মে ২০১৫

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

 >