বিকেল ৩টা ৫ মি, ৫ জুন, চ্যানেল আই

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে

প্রকৃতি বিষয়ক টেলিফিল্ম ‘গাছবন্ধু’

রচনা: ইমদাদুল হক মিলন
চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: অরুণ চৌধুরী
অভিনয়: আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদ, মৌটুসী বিশ্বাস, রোমান সারোয়ার, বহতা নদী, এশা, জাহিন


মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত মেয়ে লতা। জাফর-মায়ার একমাত্র সন্তান। সবুজে মোড়ানো গ্রামে তার বেড়ে ওঠা। প্রকৃতি থেকে নিজেকে কখনো আলাদা ভাবতে পারে না। ভালোবাসে গাছ, ফুল, লতা-পাতা, পাখি। কেউ যদি গাছের গায়ে আঁচড় কাটে; সে আঁচড় লাগে তার গায়ে। গাছের একটা ডাল কিংবা পাতা ছিঁড়লে তার কষ্ট হয়। বয়সে ছোট হাসি, খুশি, রাসেলদের লতা বুঝায় মানুষের মতো গাছেরও জীবন আছে। কষ্ট আছে। দুঃখ আছে। আঘাত করলে গাছও ব্যথা পায়। রক্ত ঝরে। গাছের প্রতি ভালোবাসা মমত্ববোধ লতার অস্বাভাবিক কিনা তা নিয়ে জাফর-মায়া উভয়ই চিন্তিত। বিয়ে দিলে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে এমনটা ভাবেন তারা। বিয়ের কথাবার্তা চলে। শহরে প্রতিষ্ঠিত এক ছেলে দেখতে আসে লতাকে। প্রায় প্রকৃতিশূন্য শহরে চার দেওয়ালের মধ্যে জীবন কাটানোর কথা কল্পনাও করতে পারে না লতা। এ বিয়েতে সে অসম্মতি জানায়। চিন্তিত হয়ে পড়েন জাফর-মায়া। এটা মানসিক কোনো রোগ নয়তো? লতার সাথে কথা বলে; দেখে শুনে লতাকে স্বাভাবিক বলেই সিদ্ধান্ত দেন ডাক্তার। পরামর্শ দেন; লতার মনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ না করতে। লতার ‘গাছ ভালোবাসার অসুখ’ সারাতে জাফর সাহেব লতার প্রিয় গাছটিকে কেটে ফেলে রাখেন উঠোনে। প্রিয় গাছের এমন করুণ পরিণতি দেখে কান্নায় ভেঙে পরে লতা। দিনে দিনে নিজেকে নিজের ভেতর গুটিয়ে নিতে থাকে। সেই উচ্ছল প্রাণবন্ত লতা এবার সত্যি সত্যি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। লতার এমন অবস্থায় পরের দিনগুলোতে জাফর সাহেব গাছের চারা লাগিয়ে সারা বাড়ি ভরিয়ে তোলেন সবুজে। সেই সবুজ রঙের ছোঁয়ায় দুলে ওঠে লতার মন। আবার সে ফিরে পায় চঞ্চলতা। মেয়ের খুশিতে প্রাণ ফিরে পায় জাফর-মায়াও।


বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চ্যানেল আইতে ৫ জুন বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে প্রচার হবে দেশে প্রথম প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক নির্মিত টেলিফিল্ম ‘গাছবন্ধু’। ইমদাদুল হক মিলনের গল্প নিয়ে এ টেলিফিল্মটি চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন অরুণ চৌধুরী। অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদ, মৌটুসী বিশ্বাস, রোমান সারোয়ার, বহতা নদী, এশা, জাহিন প্রমুখ।

৫ জুন ২০১৫

নাটক

 >  Last ›