রাত ১২টা ৫ মি, ১১ জুন, দেশ টিভি

একক নাটক: চোর গেলো ভূত এলো

পরিচালনা:শহিদুজ্জামান সেলিম
অভিনয়:শহিদুজ্জামান সেলিম, ঈশিতা, শর্মিলী আহমেদ


প্রায় ৬ বছর ধরে মিজান একটি বাসায় ভাড়া থাকলেও এর মধ্যে কোনদিন কিছু চুরি হয়ে যায়নি। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন রাতে মিজানের মোবাইলটি চুরি হয়ে গেল। মিজান আরেকটা মোবাইল কিনলে পরদিন রাতে সেটিও চুরি হয়ে গেল। মিজান খুব অবাক হয়ে গেল। সে উঠে পরে লাগল কিভাবে চোর ধরা যায়। তার মেজাজ ইদানিং খুব চরা থাকে। মিজানের মোবাইল চুরি কিম্বা হুটহাট করে রেগে যাওয়াটাকে তার স্ত্রীকে যতটা না চিন্তায় ফেলে তার চেয়ে বেশী চিন্তায় ফেলে মিজানের আচরণে। মিজান এখন প্রতি রাতেই নতুন মোবাইলটা নতুন নতুন জায়গায় লুকিয়ে রাখে। কেননা তার মনে এই ভয় ঢুকেছে যে, চোর না আবার জানালা খুলে মোবাইল চুরি করে নিয়ে যায়। এর দরুন মিজানের ঘুমতো গেছেই মা, বউ, ছেলেরও ঘুম হারাম হয়ে গেছে। চোর ধরার নতুন নতুন ফন্দী আঁটতে থাকে মিজান। অবস্থা এমন জায়গায় দাঁড়ায় যে, দিনকে দিন তাকে অপ্রকৃতস্থই লাগে। বাধ্য হয়ে মিজানকে না জানিয়ে মিজানের স্ত্রী একজন মানসিক ডাক্তারের সাথে দেখা করে। ডাক্তার সব শুনে বলে, যেভাবেই হোক মিজানকে দিয়ে একজন মোবাইল চোর ধরাতে হবে। তা না হলে মিজান স্বাভাবিক হবেনা। কেননা মিজানের ভিতর এখন একজন এমন বিপ্লবী মানুষের, প্রতিবাদী মানুষের জন্ম হয়েছে যে, সে মোবাইল চোরকে ধরাটা জাতীয় আন্দোলনের মত ভাবছে। আর তাই মিজানের স্ত্রী তার ভাই’র সাহায্য নিয়ে একজন ছিঁচকে চোরকে ঠিক করে। যে চুরি করতে আসবে এবং মিজানের হাতে ধরা পড়বে। মিজান তাকে হয়তো মারবে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে চোর রাজি হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট রাতে চোর আসে। মিজানের হাতে ধরা পড়ে। কিন্তু মিজান চোরকে মারেনা। পুলিশের হাতেও তুলে দেয়না। সে এই চোরের মাধ্যমে বাকী সব চোরকে এক করার পরিকল্পনা করে। তার উদ্দেশ্য হল, চোরদেরকে নিয়ে একটা কাউন্সিলিং করা। যেখানে তাদের চুরি না করতে উৎসাহিত করা হবে।

পারিবারিক কমেডি ধাঁচের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে একক নাটক 'চোর গেলো ভূত এলো'। এ নাটকে অভিনয় করেছেন ঈশিতা, শর্মিলী আহমেদ প্রমুখ। নাটকটি দেশ টিভিতে প্রচারিত হবে রাত ১২টা ৫ মিনিটে।

১১ জুন ২০১৫

নাটক

 >  Last ›