রাত ১১টা ৫৫ মি, ঈদের ৪র্থ দিন, বাংলাভিশন

নাটক: ডিষ্টাব

রচনা: জাকির হোসেন উজ্জ্বল
পরিচালনা: জাহিদ হাসান
অভিনয়ে: জাহিদ হাসান, মেহজাবিন, আরফান আহমেদ

জাকির হোসেন উজ্জ্বল-এর রচনা ও জাহিদ হাসান-এর পরিচালনায় নাটক ‘ডিষ্টাব’ বাংলাভিশনে প্রচার হবে ঈদের ৪র্থ দিন রাত ১১টা ৫৫মিনিটে। নাটকে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, মেহজাবিন, আরফান আহমেদ, শামীমা নাজনীন, তাসনুভা এলভিন, আফরোজা হোসেন, সঞ্জিব আহমেদ, রাইজা, ইমরান সাদি এবং অতিথি চরিত্রে সজল।


মোসাদ্দেক হোসেন গ্রামের খুব বিরক্তিকর এক যুবক। অনেকটা সহজ সরল কিন্তু অতিরিক্ত মিশুক এবং আলাপি স্বভাবের। এক হাত দূরের মানুষের সাথেও কথা বলে প্রায় চিৎকার করে। অকারণ হাসে। হাসতে হাসতে কথা বলার সময় মুখ দিয়ে থুথু ছিটে যায় কিন্তু তাতে তার কোন বিকার নেই। চেনা অচেনা যে কোন মানুষের সাথে যে কোন বিষয়ে আলাপ করতে পারে সে।

দুজন মানুষ রাস্তার পাশে কথা বললে অনায়াসে সে তাদের মধ্যে ঢুকে যাবে। এবং তারা যে বিষয়েই আলোচনা করুক না কেন সে তাতে শুধু অংশই নিবে না অন্য দুজনকে কোন কথা বলার সুযোগই দিবে না। গ্রামের কেউই বিষয়টা পছন্দ করে না কিন্তু মোসাদ্দেক ব্যাপারটা বোঝে না। এই কারণে গ্রামের লোকজন তাকে এড়িয়ে চলে। সবাই তাকে একটা ডিষ্টার্ব মনে করে। গ্রামে তার নামই হয়ে গেছে ডিষ্টাব। মোসাদ্দেক তাতে কিছু মনে করে না। বা মনে করার মতো মানসিক উপলব্ধিটা তার নেই। ইদানিং সে একটা ট্যাব কিনেছে। সেই ট্যাবে গ্রামের লোকজনের ছবি তোলে আর নানান রকম গল্প করে বেড়ায়। ইদানিং তার গল্পের বিষয়বস্তু প্যাকেজ নাটক নিয়ে। এফডিসিতে নিয়মিত যাতায়াত করে সে। প্যাকেজ নাটকের প্রডিউসার হয়েছে। সে ইচ্ছে করলে যে কাউকে নায়ক বা নায়িকা বানিয়ে দিতে পারে ইত্যাদি। যদিও গ্রামের কারো মধ্যে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই ওর সাথে কথা বলার।

তানিসা ঢাকায় লেখাপড়া করে। হোষ্টেলে থাকে। ছুটিতে গ্রামে এলে মোসাদ্দেক ওকে দেখে খুশি হয়ে এগিয়ে যায়। মোসাদ্দেক এটা সেটা বলে ওকে পটিয়ে ওর ট্যাব দিয়ে বেশ কয়েকটা ছবি তুলে ফেলে। যার মধ্যে সেলফিও থাকে। ওকে ওর নাটকের নায়িকা বানাতে চায়। তানিসা আস্তে আস্তে প্রচন্ড বিরক্ত হয়। কিন্তু ডিষ্টাব সেটা বোঝেনা। সে সেই সেলফি দেখিয়ে গ্রামে প্রচার করতে থাকে ওর সাথে তানিসার প্রেমের সম্পর্ক আছে।

তানিসাকে পছন্দ করে গ্রামের আরেক যুবক সাজনু। ডিষ্টাব তাকেও কথাটা জানায়। সে কিছুতেই বিষয়টা মেনে নিতে পারে না। সাজনু সোজা গিয়ে তানিসার কাছে বিষয়টা জিজ্ঞেস করে। এতে তানিসা প্রচন্ড রেগে ছুটে যায় মোসাদ্দেকের কাছে। মোসাদ্দেক ওকে নানান রকম বুঝ দিয়ে দেয়। এবং ইনিয়ে বিনিয়ে জানিয়ে দেয় ওকে সে আসলেই ভালোবাসে। বিয়ে করলে ওকেই ওর সব নাটকের নায়িকা বানাবে। তানিসা প্রচন্ড বিপদে পড়ে যায়। চিন্তা করতে থাকে কিভাবে উদ্ধার পাওয়া যাবে এই বিপদ থেকে....।

২২ জুলাই ২০১৫

নাটক

 >  Last ›