বিকাল ৪টা ৩০ মি, ঈদের ২য় দিন, চ্যানেল আই

কৃষকের ঈদ আনন্দ

উপস্থাপনা ও পরিচালনা: শাইখ সিরাজ


আমের ভরা মৌসুমে এবার পড়েছে মাহে রমজান ও ইদুল ফিতর। তাই এবার জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’কে সাজানো হয়েছে আমকে উপজীব্য করে। কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ এবার অনুষ্ঠান ধারণের জন্য বেছে নিয়েছেন প্রাচীন গৌড় জনপদ ও আমের রাজধানীখ্যাত রাজশাহীকে।

এবার আয়োজনে থাকছে সাত রকমের সাতটি ক্রীড়া। অংশ নিয়েছে চাষী, চাষী বউ ও চাষীর সন্তানেরা। কৃষকের ঈদ আনন্দের আলাদা এক বিশেষত্ব ভেতরে ভেতরে তথ্যচিত্রের গাঁথুনি। এবারের তথ্যচিত্র আমকেন্দ্রিক। আমের বাজার, আমের বাগান ও আম নিয়ে দারুণ দারুণ কথামালা। এর ভেতরে ভেতরেই রয়েছে অনেক অজানা তথ্য। ‘আমভক্ত একজন ইংরেজ পর্যটক ফ্রাইয়ার লিখেছিলেন, ভালো জাতের পাকা আম গ্রিক পুরাণে বর্ণিত দানব ‘হেসপাইরিডেসের’ বাগানের বিখ্যাত সোনালি আপেলের চেয়েও সুস্বাদু। এ রকম পাকা আমের স্বাদ পাওয়ার জন্য হারকিউলিসের মতো দুঃসাধ্য অভিযানের দরকার নেই। বঙ্গ দেশের গাঙ্গেয় পলিমাটি অঞ্চলে পৌঁছালেই তা নাগালের মধ্যে চলে আসে।’ এমন তথ্য ও গল্পের গাঁথুনি রয়েছে এবারের কৃষকের ঈদ আনন্দে।

এবারের খেলাগুলোর সঙ্গে রযেছে ছন্দের সহযোগ। যেমন খেলাগুলোর নাম ‘আম চাষীদের যুদ্ধ খেলা/ বালিশ মেরে জলে ফেলা, আম পেড়ে সাঁকো পার/ পথ নেই পালাবার, কে কটা খায় পাকা আম/ আম-পালোয়ান হবে নাম, ঝিনুক দিয়ে আম ছোলা/ বউ সাজাবে রসিক পোলা, ঝুড়ির ভেতর আম ফেলা/ বিষমুক্ত আমের খেলা, রশির আম কামড়ে আনা/ হাত দিয়ে ধরতে মানা, আমের জোরে শক্তি পাই/কলাগাছের মাথায় যাই’। কৃষকের ঈদ আনন্দ প্রচার হবে ঈদের পরদিন বেলা সাড়ে ৪টায়।

১৯ জুলাই ২০১৫

ম্যাগাজিন

 >  Last ›