বিকাল ৩ টা, ৭ আগস্ট, চ্যানেল নাইন

টেলিফিল্ম: ভালোবাসার ফাঁদ

রচনা: আসাদুজ্জামান সোহাগ
পরিচালনা: কৌশিক শংকর দাশ
অভিনয়: তারিন, অপূর্ব, শার্লিন


রুপা আর সাকিবের সুখের একটা সংসার। মা-বাবার অমতে বিয়ে করলেও সাধারণ খুনসুটি আর ঝগড়াঝাটি ছাড়া ভালোই চলছিলো তাদের সংসার। কিন্তু ইদানিং খুব সাধারন কারনেই দুজনের মধ্যে খিটিমিটি লেগে যায়। উপরে উপরে ঠিক থাকলেও মনের মধ্যে একের প্রতি অন্যের ভালোবাসার টান যেন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। ঠিক এরকম একটা সময় সাকিবের সাথে দেখা হয়ে যায় সম্পা নামের একটি মেয়ের। এই সম্পা তার পূর্ব পরিচিতোই শুধু নয়, কলেজ জীবনে এই মেয়েটিকেই প্রথম প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলো সাকিব কিন্তু সম্পা সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি তখন। সম্পার বিয়ে হয়েগিয়েছিলো পারিবারিক ভাবে কিন্তু সেই সংসার তিন মাসও টেকেনি। দুজনের ভাঙ্গামন আশ্রয় পেয়ে যায় একই জায়গায়। এদিকে রুপা রাজনের এই বদ্লে যাওয়া স্বভাব আচ করতে পারে ঠিকই কিন্তু তেমন পাত্তা দেয়না তাতে বরং সে নিজেও নিজের নির্ভরতার যায়গা খুঁজে নেয়। টেলিফোনে কোন এক ছেলের সাথে সখ্যতা বাড়ে তার কিন্তু তার চেহারা দেখা যায়না কোথাও। একটা সময় সাকিব ও রুপা দুজনই দুজনার আলাদা নির্ভরতার জায়গাটা টের পায়, কিন্তু কারো কাছেই তেমন কোন প্রমাণ নেই কাউকে কিছু বলার। একদিন অফিসের প্রয়োজনে সাকিবকে বিদেশে যেতে হবে। রুপা সাকিবের জন্য কফি তৈরী করতে ব্যাস্ত হয়। রুপা দুইকাপ কফি বানিয়ে একটিতে তার বিষ মিশিয়ে দেয়। ঘটনাক্রমে সাকিব বিষহীন কফিটা খেয়ে ভুলকরে বিমানের টিকেট বাসায় ফেলে চলে যায়। রুপা বাকী কফিটা খেতে খেতে তার নতুন বয়ফ্রেন্ডকে খালি বাসায় আমন্ত্রন জানায়।

 

ওদিকে গাড়িতে যেতে যেতে সাকিব তার টিকেট খুঁজে না পেয়ে বাসার দিকে ফেরত আসতে থাকে। রুপা ততক্ষণে নিজের বানানো বিষ মাখা কফি খেয়ে বিছানার উপড়ে লুটিয়ে পড়ে। সাকিব আসতে থাকে বাসার দিকে। সাকিব টিকেটটা হাতে নিয়ে রুপারদিকে তাকাতেই তার অস্বাভাবিকতা চোখে পড়ে। সাকিব রুপারদিকে আগিয়ে যায়। ছায়মূর্তিটা এবার পিস্তল উচিয়ে সোজা সাকিবের বুকের পাশে গুলি ছুড়ে দেয়। সাকিব মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এবার সন্ত্রাসী টা অন্য পকেট থেকে একটা চিরকুট বের করে নিজের চোখের সামনে ধরে। সেখানে লেখা থাকে- “সকাল ঠিক নয়টার পড়ে তুমি আমার বাসায় যাবা, আমার স্ত্রী তখন বাসায় থাকবে, তাকে দেখা মাত্র তুমি তাকে গুলি করে মেরে ফেলবা। আর তার সাথে তার এক বয় ফ্রেন্ডও থাকতে পারে, যদি থাকে তাহলে তাকেও গুলি করে মারবা। ব্যালকনির পাশে একটা কালো ব্যাগে তোমার পাওনা টাকা রাখা আছে। আমার সাথে কোন রকম যোগাযোগ করার চেস্টা করবা না।” চিঠির ভয়েজ ওভার থাকে সাকিবের। ফ্লাশব্যাকে তখন দেখা যায়- রাজন নামের রুপার বয়ফ্রেন্ড সাকিবের ফ্লাটের নিচে এসে দাড়ায়।

৭ আগস্ট ২০১৫

নাটক

 >  Last ›